
আমার নারায়ণগঞ্জ:
নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা তল্লা এলাকা এখন মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। বিকেলে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লা এলাকার প্রতিটি অলিগলিতে চলছে মাদক ব্যবসায়ী সুমনের ওরফে (মফফা সুমন) এই রমরমা মাদক ব্যবসা। জানা যায়,এলাকার কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়ই চলে এই মাদক বিক্রি ও সেবন। ইতোমধ্যে পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। তল্লা এলাকার রাস্তা দিয়ে হাঁটতেই পাওয়া যাচ্ছে মাদকের তীব্র গন্ধ।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে ফতুল্লা থানাধীন তল্লা,হাজীগঞ্জ,ওয়াবদারপুলসহ বেশ কিছু এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য সাপ্লাই দিয়ে আসছে একাধিক মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী সুমন ওরফে (মফফা সুমন)।
উক্ত এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবসায়ী সুমন ওরফে (মফফা সুমন)রমরমা ইয়াবা ও গাঁজা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে অনেকটাই বুক ফুলিয়ে। প্রতিদিন এই মাদক ব্যবসায়ী সুমনের সিন্ডিকেটের লক্ষ টাকার মাদক বিক্রয় হচ্ছে অনেকটাই প্রশাসনকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালানো হলেও যারা ধরা পড়ছেন তাদের বেশির ভাগই মাদকসেবী এবং খুচরা বিক্রেতা তথা সেলসম্যান। রাগববোয়ালরা থাকছে পর্দার আড়ালে। রহস্যজনক কারণে প্রশাসন এ ব্যাপারে নীরব।
সচেতন মহলের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তারা এই স্পট থেকে মাদক বিক্রির মাসোহারা পেয়ে থাকেন। ফলে মাদক নির্মূলের বদলে প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। মাদক সিন্ডিকেট শিকড় থেকে উপড়ে ফেলতে হবে। তা না হলে সমাজে এই মাদকের ভয়াল থাবা থেকে কেউই নিরাপদ নয়। উঠতি বয়সি তরুণ-তরুণীরা ধ্বংস হচ্ছে। গড়ে উঠছে ছোট-বড় কিশোর গ্যাং। অভিভাবক মহল রয়েছে চরম বিপাকে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকে চুরি-ছিনতাই করছে।
পুলিশ বলছে, এই মাদক ব্যবসায়ী ও প্রতারকদের বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে আবার একই কাজ করছেন।