
আমার নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে তরুণীর মরদেহ ফেলে পালিয়ে গেছে তার কথিত স্বামী। চিকিৎসকের ধারণা, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তরুণীর নাম তাসনিম (২২)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার রানিদিয়া গ্রামের সায়েদ মিয়ার মেয়ে। ইসদাইরস্থ আমানা গার্মেন্টসে চাকুরি করতেন তাসনিম।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিকালে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এটি নিশ্চিত করেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আজম। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা সেটি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মফিজুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে তাসনিমকে নিয়ে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন শাকিল ওরফে শাওন নামের এক তরুণ। জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় অবস্থিত আমেনা গার্মেন্টসে কাজ করতেন তারা। ওই গার্মেন্টসের পাশেই একটি বাড়িতে দুজন ভাড়া থাকতেন। শাকিল ওরফে শাওন নিথর অবস্থায় তাসনিমকে শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান শাওন। বিষয়টি মঙ্গলবার দুপুরে জানাজানি হলে পুলিশ ওই তরুণীর নাম-পরিচয় উদঘাটন করে।
তিনি আরও জানান, কী কারণে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। নিহতের ডান চোয়ালে খামচির (আঁচড়) দাগ রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের আর কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখা গেছে। পালিয়ে যাওয়া তরুণ শাওনকে পেলেই নিহত তরুণীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।