
আমার নারায়ণগঞ্জ:
নরসিংদীর মাধবদীতে হরতালে গাড়ি ভাঙচুরের সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান আব্দুকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মাধবদী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শহীদুল হক সোহাগ এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার লুৎফর রহমান আব্দু নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াই হাজার উপজেলার পাঁচরুখী এলাকার হাজী সুরুজ আলীর ছেলে। তিনি নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ছয়টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবদীর রাইনাদি এলাকার জাকিয়া কটন টেক্সটাইল মিলের সামনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার লুৎফর রহমান আব্দুর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন বিএনপি-সমর্থিত নেতাকর্মী হরতাল পালনে জড়ো হয়। তারা মহাসড়কে অবরোধ করে জনসাধারণের মনে ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি করার লক্ষ্যে যানবাহনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং একটি কাভার্ডভ্যান ও একটি ট্রাক ভাঙচুর করে।
এ সময় মহাসড়কে টহল দেওয়ার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় লুৎফর রহমান আব্দুকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আব্দুর নামে আড়াইহাজার থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। আর এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ।
গ্রেপ্তার লুৎফর রহমান আব্দু সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আড়াইহাজার থানা থেকে হরতাল বিরোধী পিকেটিং করতে আসছিলাম। আমরা আড়াইহাজারে পিকেটিং করতে চাইলেও জায়গা ভুল নির্ধারণ করায় তা নরসিংদীতে পড়ে গেছে। পিকেটিং চলাকালে কয়েকজন উশৃঙ্খল কর্মী দুটা গাড়ি ভাঙছে। এ সময় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সবাই পালিয়ে গেলেও আমার পায়ের সমস্যার কারণে দৌড় দিতে পারিনি। যার ফলে পুলিশ আমাকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমি একটা দল করি। দলের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশ আসলে কিছু না কিছু পালন করতে হয়। আমরা কিন্তু জ্বালাও পুড়াও করেনি। তবে শুধু ভুলটা হয়েছে দুটা গাড়ি ভাঙচুর করায়। আমরা হরতালবিরোধী মিছিল করেছি। আমরা উপরের নির্দেশনায় এ কর্মসূচি পালন করে থাকি।