আমার নারায়ণগঞ্জ:
মাদকের জোয়ারে ভাসছে নারায়ণগঞ্জের টানবাজার ও জিমখানা এলাকা। প্রায় প্রত্যেকটি অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে একাধিক মাদক স্পট। ধীরে ধীরে মাদকের করাল গ্রাসের শিকার হচ্ছে যুবসমাজ এবং কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা। নারায়ণগঞ্জে বহু এলাকায় গড়ে উঠেছে বহু মাদকাশক্ত নিরাময় কেন্দ্রও। আবাসিক হোটেলগুলোতেও এখন মাদক ব্যবসা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রত্যেক মাদক স্পট থেকেই থানা-পুলিশের কর্তা ব্যক্তিরা মাসোহারা নিচ্ছে। মূলত দেশের মাদক ব্যবসার অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা।
নারায়ণগঞ্জ শহরের টানবাজার গুদারাঘাট সংলগ্ন মেয়র আইভী কতৃর্ক সাধারন মানুষের হাটাচলা ও বসার জন্য স্থান নির্মান করা হলেও সেখানে এখন চলছে টানবাজার এলাকার মাদক সম্রাট নুর ইসলাম শিবার মাদক রাজ্যে।
অপরদিকে মন্ডলপাড়া পুল ও জিমখানা লেক পারের ঠিক পাশেই দিনভর দেখা মেলে মাদক ব্যবসায়ীদের।
নুর ইসলাম প্রকাশ শিবা পুরো টানবাজার এলাকার মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত। ইয়াবা, গাজা,মদ, হেরোইন সহ এমন কোন মাদক নেই যা তার মাধ্যমে বিক্রি হয় না।পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও জেল থেকে বের হয়ে আবার শুরু করেন তার মাদক ব্যবসা।
টানবাজারের বিভিন্ন অলিগলিতেও এখন মাদকের ছড়াছড়ি। মরণনেশার বিষে নীল হচ্ছে বহু মেধাবীর জীবন। অকালেই ঝরে পড়ছে জাতির ভবিষ্যত কর্ণধাররা। দিন দিনই বাড়ছে মাদকের আগ্রাসন। যদিও কেউ কেউ অন্ধকার ছেড়ে ফিরছেন আলোর পথে।
প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে তৎপর তারা। মাদকের আগ্রাসন থেকে নারায়ণগঞ্জ কে মুক্ত প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ যেন মাদকের স্বর্গরাজ্য। টানবাজার এলাকার অলিতে-গলিতে হাত বাড়ালেই মেলে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, প্যাথিডিন কিংবা গাঁজার মত সব মাদক। কখনও অন্ধকার আবদ্ধ ঘর কখনও খোলা ময়দান। সবখানেই যেন মাদকসেবীদের অবাধ বিচরন।
তরুণরা কেন ঝুকছে মাদক সেবনে? এমন প্রশ্নের জবাবে মাদকসেবীদের বক্তব্য, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার কারণে অনেকেই বেছে নিয়েছে এই পথ। সুশিল সমাজ প্রতিনিধিরা বলছেন, মাদকের ছোবলে কর্মক্ষমতা হারাচ্ছে যুবসমাজ। তাই, এখন-ই তাদের ফিরিয়ে আনতে নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।